চা
Job Scholar
ফিরে যান
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংগঠন ও জোট
প্রশ্ন 51
সঠিক উত্তর: B
ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ সংস্থার সদর দপ্তর কোথায়?
A. প্যারিস
B. লিঁও
C. জেনেভা
D. হেগ
Explanation:
• ইন্টারপোল:
- ইন্টারপোল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত ফ্রান্সের লিঁও শহরে।
- এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৬টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করে।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৬টি। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
- বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে- ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর মাসে।
- এর সর্বশেষ সদস্য: পালাউ।
তথ্যসূত্র: ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 52
সঠিক উত্তর: D
নিচের কোন দেশটি ব্রিটিশ উপনিবেশ না হয়েও কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করেছে?
A. নাইজেরিয়া
B. কানাডা
C. ভারত
D. মোজাম্বিক
Explanation:
- মোজাম্বিক কমনওয়েলথের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও কখনো ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল না।
- এটি ছিল পর্তুগালের উপনিবেশ এবং ১৯৭৫ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।
• কমনওয়েলথ:
- অতীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল এমন স্বাধীন জাতিসমূহ নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- কমনওয়েলথ গঠনের ধারণা নেওয়া হয় ১৯৪৬ সালে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন।
- কমনওয়েলথের দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজি।
- কমনওয়েলথ দেশগুলির মধ্যে জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি ভারতের। [এপ্রিল, ২০২৬]
- কমনওয়েলথ দেশগুলির মধ্যে আয়তনের ভিত্তিতে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ কানাডা।
- ব্রিটিশ উপনিবেশে না থেকে কমনওয়েলথের সদস্য দেশসমূহ যথা- মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, গ্যাবন ও টোগো।
উল্লেখ্য,
- পাকিস্তান ১৯৭২ সালে ত্যাগ করে আবার ১৯৮৯ সালে যোগ দেয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৬১ সালে ত্যাগ করে ১৯৯৪ সালে যোগ দেয়।
- বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য-৫৬টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩৪তম সদস্য।
উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 53
সঠিক উত্তর: D
আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত স্থায়ী আদালতের নাম কী?
A. ICJ
B. IMO
C. UNHRC
D. ITLOS
Explanation:
- সমুদ্র সীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত স্থায়ী আদালতের নাম- ITLOS.
• ITLOS:
- আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত বিশেষায়িত স্থায়ী আদালতের নাম হলো International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS).
- এর বাংলা নাম 'আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল'।
- এটি ১৯৮২ সালের জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ১ অক্টোবর ১৯৯৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
- ট্রাইব্যুনালটির সদর দপ্তর জার্মানির হামবুর্গ শহরে অবস্থিত।
- এই ট্রাইব্যুনালে মোট ২১ জন স্বাধীন বিচারক রয়েছেন, যারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যোগ্য আইনজ্ঞদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হন এবং ৯ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশের জন্য এই ট্রাইব্যুনাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্র সীমা নির্ধারণে প্রদত্ত ঐতিহাসিক রায়ে এই আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো (ITLOS ও PCA) গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
উৎস: ITLOS-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 54
সঠিক উত্তর: A
নিচের কোন দেশটি G-7-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয়?
A. কানাডা
B. ফ্রান্স
C. জার্মানি
D. ইতালি
Explanation:
- G-7-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয় কানাডা।
G-7:
• G-7 (Group of 7) - বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের সরকার প্রধানের জোট।
- জি-৭ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে।
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৬টি।
- তবে, ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।
- জি-৭ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ছয়টি দেশ - ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি – কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এশিয়ার একমাত্র সদস্য দেশ জাপান।
উৎস: জি-৭ -এর ওয়েবসাইট।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 55
সঠিক উত্তর: A
EU কোন চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়?
A. মাস্ট্রিক্ট চুক্তি
B. লিসবন চুক্তি
C. দোহা চুক্তি
D. রোম চুক্তি
Explanation:
EU:
- পূর্ণরূপ: European Union (ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- প্রতিষ্ঠা: ১ নভেম্বর ১৯৯৩ (মাস্ট্রিক্ট চুক্তি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম (প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র)।
- প্রধান উদ্দেশ্য: অর্থনৈতিক একীকরণ, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন প্রচার।
- সদস্য সংখ্যা: ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র।
গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম:
- European Green Deal: ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জন।
- Erasmus+: শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং যুব উন্নয়ন প্রকল্প।
- Horizon Europe: গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য তহবিল।
- EU Civil Protection Mechanism: দুর্যোগে সহায়তা ও সমন্বয়।
গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন:
- European Economic Forecast: অর্থনৈতিক পূর্বাভাস ও বিশ্লেষণ।
- EU Climate Action Progress Report: জলবায়ু লক্ষ্যের অগ্রগতি পর্যালোচনা।
উৎস: EU ওয়েবসাইট।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 56
সঠিক উত্তর: C
'ওপেক প্লাস'-এ যুক্ত হওয়া মোট দেশ কতটি?
A. ৮টি
B. ৯টি
C. ১০টি
D. ১১টি
Explanation:
- 'ওপেক প্লাস'-এ যুক্ত হওয়া মোট দেশ ১০টি।
• OPEC:
- OPEC-এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- OPEC তেল রপ্তানিকারক দেশসমূহের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করা।
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১১টি (আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, ভেনিজুয়েলা)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
• OPEC Plus (OPEC+):
- তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট (OPEC) ও তাদের সহযোগীরা ওপেক প্লাস হিসেবে পরিচিত।
- এটি রাশিয়া নেতৃত্বাধীন জোট।
- এটি OPEC-এর ১১টি সদস্যের সাথে ১০টি অ-OPEC (non-OPEC) তেল উৎপাদনকারী দেশের জোট।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে (আলজেরিয়া)।
- অ-ওপেক সদস্যগুলো হলো: আজারবাইজান, বাহরাইন, ব্রুনাই, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, ওমান, রাশিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান।
- এরা বিশ্বের তেল উৎপাদনের প্রায় ৫৯% নিয়ন্ত্রণ করে।
তথ্যসূত্র: OPEC ওয়েবসাইট ও রয়টার্স।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 57
সঠিক উত্তর: C
আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকের মেয়াদকাল কত বছর?
A. ৩ বছর
B. ৫ বছর
C. ৯ বছর
D. ১০ বছর
Explanation:
• আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ):
- ইংরেজি নাম: International Court of Justice
- জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক আদালত।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু: ১৯৪৬ সালে।
- বিচারকের সংখ্যা: ১৫ জন।
- বিচারকদের মেয়াদকাল: ৯ বছর।
- সভাপতি নির্বাচিত হন: ৩ বছরের জন্য।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ এর ওয়েবসাইট।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 58
সঠিক উত্তর: A
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম কোনটি?
A. মন্ত্রি-পর্যায়ের সম্মেলন
B. সাধারণ পরিষদ
C. সচিবালয়
D. নির্বাহী বোর্ড
Explanation:
• বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম:
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম হলো মন্ত্রি পর্যায়ের সম্মেলন বা Ministerial Conference.
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সকল সদস্য দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী বা জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকেরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।
- মারাকেশ চুক্তি অনুযায়ী, এই সম্মেলন প্রতি দুই বছরে অন্তত একবার অনুষ্ঠিত হয়।
- শুল্ক হ্রাস, বাণিজ্য রীতিনীতি যেকোনো বড় ধরনের সংস্কার বা পরিবর্তনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এই সম্মেলনেই গৃহীত হয়।
- এছাড়াও, মন্ত্রি পর্যায়ের সম্মেলনের নিচে ডিরেক্টরেটদের দৈনন্দিন কাজ (বিরোধ নিষ্পত্তি, বাণিজ্য নীতি পর্যালোচনা) পরিচালনার জন্য একটি সাধারণ পরিষদ বা General Council থাকে। তবে, মন্ত্রিপর্যায়ের সম্মেলন (Ministerial Conference) বড় বা নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। এবং এটিই সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম।
উল্লেখ্য,
সম্প্রতি ১৬ থেকে ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে ক্যামেরুনের ইয়াউন্দে শহরে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সর্বশেষ ১৪তম মন্ত্রি পর্যায়ের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তথ্যসূত্র: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 59
সঠিক উত্তর: C
'সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা'র (SCO) সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
A. মস্কো, রাশিয়া
B. সাংহাই, চীন
C. বেইজিং, চীন
D. তাসখন্দ, উজবেকিস্তান
Explanation:
• সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO):
- SCO এর পূর্ণরূপ: Shanghai Cooperation Organisation.
- সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) হলো একটি ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংস্থা।
- এটি চীন ও রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ২০০১ সাল।
- সদরদপ্তর: বেইজিং, চীন।
• গঠনের প্রেক্ষাপট:
- সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) এর সাংহাই ফাইভ গ্রুপ থেকে, যা ১৯৯৬ সালে চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান ও তাজিকিস্তান নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- পর্যবেক্ষক দেশ: ২টি। আফগানিস্তান ও মঙ্গোলিয়া।
- অফিসিয়াল ভাষা: চাইনিজ এবং রাশিয়ান।
তথ্যসূত্র: সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 60
সঠিক উত্তর: C
OIC-এর দাপ্তরিক ভাষা নয় কোনটি?
A. আরবি
B. ফ্রেঞ্চ
C. রুশ
D. ইংরেজি
Explanation:
-- OIC-এর দাপ্তরিক ভাষা নয় রুশ।
OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ 'Organisation of Islamic Cooperation'।
- ১৯৬৯ সালে মক্কা আক্রমণ মসজিদ-এ অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর মুসলিম বিশ্বে ঐক্য প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ থেকে সংস্থাটির জন্ম হয়।
- মরক্কোর রাবাত শহরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মাধ্যমে OIC গঠিত হয়।
- সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৬৯ সালে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OIC-এর সদর দপ্তর জেদ্দা শহরে অবস্থিত।
- বর্তমানে সংস্থাটির সদস্যরাষ্ট্রের সংখ্যা ৫৭টি।
- দাপ্তরিক ভাষা ৩টি। যথা: আরবি, ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- বর্তমান মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হুসাইন ইব্রাহিম তাহা।
তথ্যসূত্র: OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 61
সঠিক উত্তর: A
নিচের কোন দেশটি ব্রিটিশ উপনিবেশ না হয়েও কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করেছে?
A. মোজাম্বিক ও রুয়ান্ডা
B. নাইজেরিয়া ও কেনিয়া
C. মালদ্বীপ ও গাম্বিয়া
D. ভারত ও পাকিস্তান
Explanation:
- মোজাম্বিক ও রুয়ান্ডা ব্রিটিশ উপনিবেশ না হয়েও কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করেছে।
• কমনওয়েলথ
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটি অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।
- কমনওয়েলথের বর্তমান প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- এর সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ গ্যাবন ও টোগো।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশ না হয়েও কোন দেশগুলো কমনওয়েলথের সদস্য- রুয়ান্ডা, মোজাম্বিক, গ্যাবন ও টোগো।
উৎস: কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন 62
সঠিক উত্তর: A
'Nordic Council' কোন অঞ্চলের দেশগুলোর একটি সংস্থা?
A. উত্তর ইউরোপ
B. পশ্চিম আফ্রিকা
C. দক্ষিণ আমেরিকা
D. উত্তর আমেরিকা
Explanation:
• Nordic Council:
- এছাড়া এদের স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল যেমন ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ, গ্রিনল্যান্ড এবং অ্যাল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জও এর সাথে যুক্ত।
• ভৌগোলিক অবস্থান:
- এই দেশগুলো ইউরোপ মহাদেশের একদম উত্তরের অংশে অবস্থিত, যা সামষ্টিক ভাবে 'নরডিক অঞ্চল' নামে পরিচিত।
• প্রতিষ্ঠা ও উদ্দেশ্য:
- ১৯৫২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো উত্তর ইউরোপের এই দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। ১৯৫২ সালেই তারা নিজেদের মধ্যে পাসপোর্টহীন চলাচলের সুবিধা চালু করেছিল, যা ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক আগে।
উৎস: Nordic Council'.
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।